×
সদ্য প্রাপ্ত:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানক্ষেত এর পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মোন্থা’ এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ না ফেরার দেশে তিনবারের বিশ্বজয়ী হাফেজ ত্বকী অস্ত্র মামলায় সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি সিলেটে দুই ট্রাক সাদাপাথর জব্দ, চালকদের দেড় লাখ টাকা জরিমানা হবিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলা ঢাকার ফ্লাইট নামছে চট্টগ্রাম-কলকাতায় মক্কায় এক সপ্তাহে ১৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দুটি পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন করেছেন শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু, পুলিশের বাধা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-২১
  • ১২০ বার পঠিত
বিজয় চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি 

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ.কে. খন্দকারের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। তাঁর জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
জানাজা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ.কে. খন্দকারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং স্বাধীনতার জন্য তাঁর অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন। উপস্থিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এই দেশ স্বাধীন হয়েছে অসংখ্য মানুষের ত্যাগে—এ.কে. খন্দকার ছিলেন সেই সাহসী নেতৃত্বের অন্যতম প্রতীক। জাতি তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ।
জানাজায় যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বিভিন্ন বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, শিক্ষাবিদ, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ। সবার অনুভূতিতে ছিল জাতীয় এই বীরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক।
মহান মুক্তিযুদ্ধে এ.কে. খন্দকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে যুদ্ধের কৌশলগত সিদ্ধান্ত, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের কূটনৈতিক প্রয়াস—সবক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সক্রিয়। স্বাধীনতার পর তিনি কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যুক্ত ছিলেন।
জানাজা পর্বে বক্তারা বলেন, এ.কে. খন্দকার শুধু সামরিক নেতৃত্বের নাম নয়—তিনি ছিলেন দূরদর্শিতা, সততা ও দায়িত্ববোধের প্রতীক। তাঁর মতো বীর সন্তান দেশের ইতিহাসে চিরস্থিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat