অর্থনীতি ডেস্ক:
আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরসহ ১১টি জরুরি পণ্য আমদানিতে এলসি (ঋণপত্র) খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (৮ নভেম্বর) দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনার মূল বিষয়সমূহ:
পণ্যসমূহ: চাল, আটা, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মটরশুঁটি, মসলা এবং খেজুর।
এলসি সুবিধা: ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে আমদানির ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন বা জামানতের হার যত কম রাখা যায়, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি এসব পণ্যের এলসি খোলার প্রক্রিয়া অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মেয়াদকাল: ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
প্রতিবছর রমজানে দেশে নিত্যপণ্যের চাহিদা বহু গুণ বেড়ে যায়। বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিকারকদের যেন একসঙ্গে বড় অঙ্কের নগদ টাকা জমা রাখার চাপ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।