নারায়ণগঞ্জের পুরাতন বন্দর কাদরিয়া ভাণ্ডারিয়া সিরাজ শাহ’র আস্তানায় বিভিন্ন ফতোয়া দেওয়া হয়, যা কোরআনে সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে। সারাদেশ থেকে আশা তাদের ভক্তদের থেকে বিভিন্ন আর্থিক অনুদান আত্মসাৎ করা হয় বলে জানা যায়। কাদরিয়া ভান্ডার শরীফে সাংবাদিক ও মিডিয়া প্রবেশ অধিকার সংরক্ষিত বলে সাংবাদিকরা ভিতরে ঢুকে ভিডিও ফুটেজ ও নিউজ করতে পারেনা। কাদরিয়া ভান্ডার শরিফের পীরের বক্তব্যের মধ্যে অন্যতম বক্তব্য হলো, পাঁচজনকে সেজদা দেওয়া যায়। ৫ জন হল, বাবা মা শিক্ষক পীরও সুবিচারক! যা কোরআনে উল্লেখিত আছে আল্লাহ তায়ালা ব্যতীত অন্য কাউকে সেজদা দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রতি বছরে কাদেরিয়া বান্ডার শরীফের ওরসে বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করা হয় বলে অভিযোগ আছে।