×
সদ্য প্রাপ্ত:
ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন নেই, দেশের আইনই যথেষ্ট: আইনমন্ত্রী ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ১০৩০ চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশীদের ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা দক্ষ জনবল তৈরি হলে ৪ বছরে রেমিট্যান্স তিনগুণ হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা : টাকার কার্লসন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-১৮
  • ১৯০ বার পঠিত
ফেনী প্রতিনিধিঃ

শীতের শুরুতেই ত্বকের যত্নের পণ্যের চাহিদা বাড়তে থাকায় ফেনীর বাজার ছেয়ে গেছে নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনীতে। বিশেষ করে শীতকালীন ক্রিমে মেয়াদ জালিয়াতি ও অবৈধ পণ্যের রমরমা বাণিজ্য ভোক্তাদের স্বাস্থ্য ও পকেট—উভয়কেই ঝুঁকিতে ফেলছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফেনী শহরের বিভিন্ন শপিং মল, কসমেটিকসের দোকান ও খুচরা মার্কেটে বিক্রি হওয়া বহু শীতকালীন ক্রিমের প্যাকেটে হিন্দি ভাষায় লেখা মূল্য ও ব্যবহারবিধি রয়েছে। সাধারণত এসব পণ্য চোরাই পথে ভারত থেকে দেশে প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে থাকা এসব পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় অসাধু ব্যবসায়ীরা পুরোনো প্যাকেটের ওপর নতুন মূল্য ও মেয়াদের ভুয়া স্টিকার লাগিয়ে তা বাজারজাত করছেন। কম দামে এসব নকল পণ্য সংগ্রহ করে নতুন মোড়কে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। ফেনী শহরের এক গৃহিণী রাশেদা বেগম বলেন,
“শীতের জন্য পরিচিত ব্র্যান্ডের ক্রিম কিনেছিলাম। কয়েকদিন ব্যবহারের পর ত্বকে চুলকানি আর জ্বালাপোড়া শুরু হয়। পরে ভালো করে দেখি, মেয়াদের স্টিকারটা আলগা। মনে হচ্ছে নকল পণ্য ছিল।”

কলেজ শিক্ষার্থী মাহিনুর রহমান জানান,
“দাম একটু কম দেখে দোকান থেকে ক্রিম কিনেছিলাম। ব্যবহার করার পর মুখে র‍্যাশ উঠে যায়। পরে বন্ধুরা বলেছে, এই ব্র্যান্ডের অনেক নকল পণ্য বাজারে আছে।”

আরেক ভুক্তভোগী চাকরিজীবী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন,
“বিশ্বাস করে দোকান থেকে কিনি, কিন্তু এখন বুঝতে পারছি আমরা প্রতারিত হচ্ছি। নকল প্রসাধনী শুধু টাকার ক্ষতি নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও ভয়ংকর।”

এ বিষয়ে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুল ইসলাম বলেন,
“অবৈধ আমদানি, মেয়াদ পরিবর্তন ও স্টিকার জালিয়াতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ক্রেতাদের সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রসাধনী কেনার সময় পণ্যের মেয়াদ, মূল স্টিকারের অবস্থা, প্যাকেটের ভাষা, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম এবং আমদানির অনুমোদন যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat