×
সদ্য প্রাপ্ত:
ভিজিএফ কার্ড এর মাধ্যমে ২০ কেজি চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু: মাহদী আমিন দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৯ কেজি স্বর্ণ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, খসড়া চুক্তি অনুমোদন সংরক্ষিত এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা মিরপুরের সংঘর্ষে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৪
  • ১১২ বার পঠিত

মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সাতক্ষীরা



সুন্দরবন উপকূলীয় সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার হাটছোলা ও দেওল গ্রামের মানুষের জীবনে এখন সবচেয়ে বড় সংকট সুপেয় পানি। গ্রাম দু’টির হাজারো মানুষের জন্য ভরসা মাত্র একটি ফিল্টার। ফলে এক কিলোমিটার দূর থেকে পানি আনতে গিয়ে বিশেষ করে নারীরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।

পাশ্ববর্তী খানপুর, চণ্ডিপুর, চাতরা বেলেডাঙ্গা ও ইছাকুড় গ্রামের বহু মানুষকেও নির্ভর করতে হচ্ছে হাটছোলার এ একমাত্র ফিল্টারের ওপর।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটছোলা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে ‘নবযাত্রা ইনফরমেশন সেন্টার’ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রায় দুই বছর আগে ফিল্টারটি স্থাপন করে দেয়। তারপর থেকেই এটি হয়ে ওঠে আশপাশের বিশাল এলাকার একমাত্র সুপেয় পানির উৎস। হাটছোলা ও দেওল গ্রামের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী অন্তত পাঁচ গ্রামের শত শত মানুষ লাইন ধরে পানি সংগ্রহ করছেন প্রতিদিন।

গ্রামবাসীরা জানান, উপকূলীয় জনপদ হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া ও লবণাক্ততার কারণে টিউবওয়েল থেকে পানি পাওয়া যায় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এসব এলাকায় সুপেয় পানির সংকট বছরের পর বছর ধরে চলমান। লবণাক্ত পানি পান করতে বাধ্য হওয়ায় অনেকে নানা পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

নারীরা জানান, প্রতিদিন ১-২ কিলোমিটার হেঁটে পানি আনতে তাদের কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এতে পরিবার–পরিচর্যা ও গৃহস্থালির অন্যান্য কাজে ব্যাঘাত ঘটে, আর কষ্ট যেন শেষই হয় না।

দূরগ্রাম থেকে পানি সংগ্রহ করতে আসা নন্দী মন্ডল, সইবা রানী মন্ডল, কাজল মন্ডল ও শফিকুল ইসলাম বলেন, “একটি মাত্র ফিল্টার হওয়ায় আমাদের ভোগান্তি কমছে না। অনেক দূর থেকে এসে লাইনে দাঁড়াতে হয়। বাড়ি ফিরতে ফিরতে দিনের অর্ধেক শেষ হয়ে যায়। সরকার যদি আরও দুইটি ফিল্টার স্থাপন করতো, তাহলে আমাদের কষ্ট অনেকটাই কমে যেত।”

এ অবস্থায় তারা দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে অতিরিক্ত সুপেয় পানি ফিল্টার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে এ জনপদের মানুষ স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
lube
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...
❮

❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat